শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দিরাইয়ে ক্বেরাত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন দিরাই-শাল্লার অভিভাবকত্বে প্রধানমন্ত্রী: প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপে দিরাইয়ের ৬৯৭ পরিবারে আগামিকাল বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড ট্রাম্পকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি কাতারের আমিরের লন্ডন প্রবাসীর অর্থায়নে দিরাইয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান দিরাইয়ে ডোবায় পানি সেচ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০ মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ছে আমগাছ ইমাম-খতিবদের সম্মানি দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির ইন্তেকাল: ইরানে ৪০ দিনের শোক পালন শুরু সৌদি, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত ও আরব আমিরাতে বিস্ফোরণ

দীর্ঘ ২৮ বছর পর শুশায় আজানের ধ্বনি

amarsurma.com

আমার সুরমা ডটকম ডেস্ক:

দীর্ঘ ২৮ বছর পর নাগর্নো-কারাবাখের শুশা শহরে আজানের ধ্বনি শোনা গেছে। বুধবার স্থানীয় ঐতিহাসিক ইউখারি গভহার আগা মসজিদে আজান দেন এক আজারি সেনা। সেটির একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গত সপ্তাহে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে আর্মেনিয়া সরকার অঞ্চলটির দখল মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইজানের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে। যা আজারিদের জন্য অনেক বড় জয় বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৮ নভেম্বর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ঘোষণা দিয়ে বলেন, তার দেশের সৈন্যরা আর্মেনীয় বাহিনীর হাত থেকে শুশা শহর মুক্ত করে নিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর শহরটিতে আবারও আজান শোনা যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, নাগর্নো-কারাবাখ যে ঐতিহাসিকভাবে আজারবাইজানের ভূমি, এটা আবারও আমরা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছি।

তুর্কি গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহর তথ্যমতে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকেই দুই প্রতিবেশী আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে অঞ্চলটি নিয়ে বিবাধ সৃষ্টি হয়। সংঘাত চলাকালে ১৯৯২ সালের ৮ মে শুশা শহর দখল করে নেয় আর্মেনীয় বাহিনী।

নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু নব্বইয়ের দশক থেকে এতদিন পর্যন্ত সেটির নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীর হাতে।

অন্যদিকে, নিজেদের স্বাধীন বলে ঘোষণা করে অঞ্চলটির বাসিন্দারা। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না মেলায় আইনগতভাবে সেটি আজারবাইজানের অধীনেই থেকে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com